যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ৭ ঘন্টা রোগীর সেবায় ‘সবার গাফিলতি’
চিকিৎসকদের আসা-যাওয়া মধ্যেই চলে বহিঃবিভাগে চিকিৎসা
জরুরি বিভাগ চালায় ‘ব্রাদাররা’

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল। এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দুই সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। তবে সেই তুলনায় ডাক্তারসহ জনবল ও অবকাঠামো সংকট রয়েছে চরম। কিন্তু যে চিকিৎসক রয়েছেন তারাও যথাযথ দায়িত্ব পালন না করায় প্রতিদিন শত শত রোগী পড়ছেন বিড়ম্বনায়। অনেকে দালালদের খপ্পরে পড়ে হচ্ছেন সর্বশান্ত।

শক্ত ব্যবস্থাপনা না থাকায় রোগীর বদলে ডাক্তারের চেম্বারে হরহামেশা ঢুকে পড়েন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা। বুধবার সরেজমিন সমাজের কথার একটি টিম যশোর জেনারেল হাসপাতালে সাত ঘন্টা অবস্থান করে। তখন এমন নানা অসংগতি আর চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার অসংখ্য দৃশ্য চোখে পড়ে। এ টিমের নেতৃত্বে থাকা স্টাফ রিপোর্টার দেবু মল্লিক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। তথ্য সংগ্রহে সহযোগিতা করেছেন স্টাফ রিপোর্টার লাবুয়াল হক রিপন, এস হাসমী সাজু ও ইমরান হোসেন পিংকু। ছবি তুলেছেন ফটো সাংবাদিক এইচ আর পরাগ ও জিল্লুর রহমান গালিব।


গত মঙ্গলবার নিজ বারান্দায় পড়ে আহত হন যশোরের খাজুরা গ্রামের আকবর আলী গাজী (৬৮)। বুধবার সকালে বুকে প্রচন্ড ব্যাথার সাথে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে আনা হয় যশোর জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ডাক্তার হিসেবে দায়িত্বে থাকা ডা. কাজল মল্লিক ভিতরে ‘অদৃশ্য’ কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি সেখানেই পড়ে থাকেন। এসময় তার বৃদ্ধ স্ত্রীর আত্মচিৎকারে অন্য রোগীর স্বজনদের অনুরোধে ইমার্জেন্সির ব্রাদারদের ডাকে বের হয়ে আসেন কাজল মল্লিক। কিন্তু তিনি রোগীর কাছে না গিয়ে বুকে ব্যথা শুনেই ভর্তি করিয়ে দেন করোনারি কেয়ার ইউনিটে।

সকাল সাড়ে ১১টা। যশোর জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে টলিতে শুয়ে প্রচন্ড পেটে ব্যাথায় কাতরাচ্ছেন মুড়লী মোড় এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমানের মেয়ে মিম আক্তার (১৮)। ডাক্তার কাজল মল্লিক যথারীতি রেস্ট রুমে। অনেক ডাকাডাকির পর সাড়ে ১১টায় তিনি বেরিয়ে আসেন। মিমের ভাই ইকবাল হোসেন বলেন, ‘১১টার সময় ইমারজেন্সিতে এসেছি। কোন ডাক্তার ছিলো না। পরে আধা ঘন্টা পর ডাক্তার রেস্টরুম থেকে এসে ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন।’

ইমার্জেন্সি চালায় ব্রাদাররা
নিয়ম অনুযায়ী ইমার্জেন্সিতে তিনজন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও যশোর জেনারেল হাসপাতালে তা কার্যকর নয়। এখানে সাধারণত একজন দায়িত্বে থাকেন। ফলে রোগীর চাপ বাড়লে এক ডাক্তারের পক্ষে তা সামাল দেওয়া সম্ভব হয় না। এছাড়া দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক আবার ভিতরে রেস্ট রুমে অবস্থান করার সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগে ওয়ার্ডের ব্রাদাররাই হয়ে ওঠেন ‘ইমার্জেন্সির হর্তাকর্তা’। গতকাল সকাল থেকে ইমার্জেন্সির দায়িত্বে ছিলেন কাজল মল্লিক। সকাল আটটার সময় তাকে নির্ধারিত চেয়ারে পাওয়া যায়। তবে আধা ঘন্টা পর তিনি চলে যান রেস্ট রুমে। এসময় কোন রোগী আসলে ব্রাদাররা ডাক্তারকে ডেকে আনেন। আবার অনেক সময় রেস্ট রুম থেকেই ব্যবস্থাপত্র দেন তিনি।

পিয়ন, ডাক্তার সবাই করে দুর্ব্যবহার
সকাল আটটা ১০ মিনিট। দন্ত বর্হিবিভাগের সামনে বসে থাকা যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি গ্রামের জাবেদা বেগমকে (৫০) উচ্চস্বরে ধামকি দিতে দেখা যায় পিয়ন আব্দুল আজিজকে। এর আগেও দুই দিন এসেছেন তিনি। কিন্তু ডাক্তারের দেখাতে না পারায় বুধবার ভোরে চলে এসেছেন। জাবেদা বেগম বলেন, ‘দাঁতের যন্ত্রণায় বসতে পারছি না। ডাক্তার আসেনি। তবে আমি বলেছি ডাক্তার আসলে তাড়াতাড়ি একটু দেখিয়ে দিতে। এজন্য আমার সাথে এমন দুর্ব্যবহার করে।’

দুপুর একটা ২১ মিনিটে করোনারি কেয়ার ইউনিট ভবনের নিচ তলায় ৬নং রুমে বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিতে যান শহরের বকচর হুশতলা এলাকার বাসিন্দা সেলিম মিয়া। কিন্তু তাকে একপ্রকার ঘাড় ধরে রুম থেকে বের করে দেন ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া। সেলিম মিয়া বলেন, ‘আমার মাজায় ব্যাথা। বসে থাকলে ব্যথা করে না। হাঁটাচলা বা কোন কিছু তুলতে গেলে ব্যথা করে। কিন্তু ডাক্তার আমার কথা না শুনেই ওষুধ লিখে দেন। আমি আমার সমস্যার কথা বলতে গেলে আমাকে থামিয়ে বের হয়ে আসতে বলেন। কিন্তু আমি আবার সমস্যা বলতে চাই তখন তিনি উঠে দাঁড়িয়ে এক প্রকার জোর করে রুম থেকে বের করে দেন। এই ডাক্তার আমার ছেলেদের বয়সী। অথচ আমাকে…’ আর বলতে পারলেন না। হাউমাউ করে কাঁদা শুরু করেন ষাট উর্ধ্ব সেলিম মিয়া।


হাসপাতালে আসা রোগীদের দুর্ভোগ শুরু হয় টিকিট কাউন্টার থেকে। সকাল সাড়ে ১০ টার সময় টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা কেশবপুর উপজেলার গড়ভাঙ্গা গ্রামের রবিউল শেখ বলেন, ‘রোদের মধ্যে লাইন দিয়েছি। কিন্তু টিকিট কাউন্টার থেকে নিয়ম না মেনে দালালদের আগে টিকিট দিয়ে দিচ্ছে। আবার কাজ বন্ধ রেখে একাধারে মোবাইল ফোনে কথাও বলছে। টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে যদি এমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তাহলে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে কী হবে কে জানে!’

‘অকেজো’ সিসি ক্যামেরা
যশোর জেনারেল হাসপাতালে সংশ্লিষ্টদের অনিয়ম আর দালালদের তৎপরতা রোধে ২০১৪ সালে লাগানো হয় ১০টি সিসি ক্যামেরা। ইতিমধ্যে এর মধ্যে চারটি ক্যামেরা অকেজো হয়ে গেছে। বাকি ছয় ক্যামেরার চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত এখানে ঘটছে নিত্যনতুন প্রতারণা। দালালদের অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারণ রোগী ও স্বজনরা। বন্ধ হয়নি চিকিৎসকদের অফিস ফাঁকির প্রবণতা। দিনে দুপুরে হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে চুরি হয়ে গেছে শিশু। তবে শিশু চুরির কোন প্রমাণ সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। তাই এই সিসি ক্যামেরার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র।
ডাক্তারের চেম্বারে কোম্পানির প্রতিনিধি

শনি ও মঙ্গলবার দুপুর একটা থেকে দুইটা এই এক ঘন্টা চিকিৎসকদের সাথে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দেখা করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকদের সহযোগিতায় এই নিময় হরহামেশায় ভাঙছে। বুধবার বর্হিঃবিভাগের ১০৮ নাম্বার রুমে চিকিৎসক ছিলেন ডাক্তার আব্দুস সামাদ। দুপুর সাড়ে ১২টায় তার চেম্বারের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। কিন্তু ওই সময় তিনি রোগী না দেখে ওষুধ কোম্পানির চার প্রতিনিধির সাথে ব্যস্ত ছিলেন। এব্যাপারে আব্দুস সামাদ বলেন, ‘আমরা নিষেধ করি। কিন্তু ওরা আমাদের কথা শোনে না। রুমের মধ্যে চলে আসে। কি করবো বলেন।’ একই দৃশ্য দেখা গেল করোনারি কেয়ার ইউনিটের বর্হিঃবিভাগের ২নং রুমে। সেখানে ১২টা ৫০ মিনিটে ডাক্তার তৌহিদুর রহমানের সাথে তারা বিভিন্ন ওষুধ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এছাড়া একটা বড় সময় ধরে ইমার্জেন্সির ব্রাদারদের রুমে একাধিক ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে অবস্থান করতে দেখা যায়। দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিটে ইমার্জেন্সিতে অবস্থান করা কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলতে গেলে ডাক্তার কাজল মল্লিক থামিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘ওরা অফিসের কাজে এসেছে।’ এসময় তাদের ছবি তুলতে গেলে ডাক্তার কাজল মল্লিক ক্ষুব্ধ হন।

চিকিৎসক শুন্য সকাল
সকাল আটটা। দৈনিক সমাজের কথার বিশেষ টিম অবস্থান নেয় যশোর জেনারেল হাসপাতালে। এসময় হাসপাতালের বিভিন্ন রুম খোলা শুরু হয়েছে। বর্হিবিভাগের রুমসহ সামনে চলছে ঝাড়– দেওয়ার কাজ। ইমার্জেন্সি রুমে দায়িত্ব পালন করছেন ডাক্তার কাজল মল্লিক। তিনিই সকালে হাসপাতালের একমাত্র চিকিৎসক। অথচ করোনারি কেয়ার ইউনিটে সর্বক্ষণিক একজন ডাক্তার থাকার কথা। সকাল ৯টার দিকে ডা. মোশফেকুর রহমানসহ আরো দুই চিকিৎসক হাসপাতাল চত্বরে প্রবেশ করেন। এর আগে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় সাড়ে চারশ’ রোগীর দায়িত্বে ছিলেন মাত্র একজন চিকিৎসক।

বহিঃবিভাগে ডাক্তারদের আসা-যাওয়া
বুধবার বর্হিঃবিভাগের ৬নং রুমে চিকিৎসা সেবা দেওয়া গোলাম কিবরিয়া ১০টা ৫৫ মিনিটে চেম্বারে আসে। ৫৪ মিনিট পর অর্থাৎ ১১টা ৪৯ মিনিটে তিনি আবার বেরিয়ে যান। এরপর ১২টায় এসে আবার পাঁচ মিনিট পর চেম্বার ত্যাগ করেন। পরে একটা ২০ মিনিটে এসে রোগী দেখা শেষ করেন একটা ৩২ মিনিটে। সব মিলেয়ে তিনি গতকাল ৪৮ রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন।

১১১ নং রুমের দায়িত্বে ছিলেন ইলা মন্ডল। কিন্তু সকাল ৯টায় আসার কথা থাকলেও তিনি চেম্বারে আসেন ১২ টা ৪১ মিনিটে। তবে ৯ মিনিট পর তিনি আবার বের হয়ে বাড়িতে চলে যান। বাড়ি থেকে একটা ২০ মিনিটে এসে আবার চেম্বারে বসেন। তবে তার অনুপস্থিতিতে এসময় নারীদের চিকিৎসা সেবা দেন ডাক্তার ফারহানা শবনাম ও ডাক্তার ডায়না। ডা. মাসুদ জামান ১০টা ৩০ মিনিটে চেম্বারে বসে ১১টা ১০ মিনিটে বাইরে যান। আর আসেন ১২টা ৪০ মিনিটে। ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া রোগী দেখা শুরু করেন ১০টা ৫৫ মিনিটে। এরপর রোগীর দীর্ঘ লাইন রেখে ১১টা ৪৯ মিনিটে বের হয়ে ১২টা ৫ মিনিটের সময় আরেকবার আসেন। তবে মিনিট কয়েক থেকে আবার চেম্বার ত্যাগ করেন তিনি। পরে ১টা ২০ মিনিটে আরেকবার চেম্বারে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে দীর্ঘ লাইনে থাকা অনেক রোগী সেবা না নিয়েই হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এছাড়া চেম্বারে আসা যাওয়ার মধ্যে ছিলেন ডা. শরিফুল আলম খান, ডা. তৌহিদুল ইসলাম, ডা. শফিউর রহমান ডা. নজরুল ইসলাম, ডা. আব্দুর রশিদ ও ডা. অলক সরদার।

তবে নির্ধারিত সময়ে চেম্বারে না আসলেও দীর্ঘ সময় ধরে রোগী দেখেছেন কোন কোন চিকিৎসক। এদের মধ্যে ডা. সৈয়দ জিজিএ কাদেরী ১০টা ৫৫ মিনিটে, ডা. ফজলুল হক খালিদ ১০টা ২০ মিনিটে, ডা. মাধুবী রানী ঘোষ ৯টা ২৬ মিনিটে, ডা. তৌহিদুল ইসলাম ৯টা ৩২ মিনিটে, ডা. মাসফিকুর রহমান স্বপন ১০টা ৫৫ মিনিটে, ডা. লুৎফুর রহমান লাকি ৯টা ১০ মিনিটে, ডা. আক্তারুজ্জামান ৯টা ৫০ মিনিটে, ডা. আব্দুস সামাদ ৯টা ১৮ মিনিটে, ডা. মাহাবুবুর রহমান ১০টায় বর্হিবিভাগে রোগী দেখতে বসেন।

একদিকে রোগীর চাপ, অন্যদিকে ডাক্তারদের আসা যাওয়ার কারণে বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের পড়তে হয়েছে নানা বিড়ম্বনায়। তেমনই একজন উপশহর কেসমত নওয়াপাড়া এলাকার আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে আটটায় হাসপাতালে এসেছি। বুকে প্রচন্ড ব্যাথা নিয়ে অপেক্ষা করছি। এখন সাড়ে ১০টা বাজে। কিন্তু এখনো ডাক্তারের খবর নেই। আসবে কিনা জানি না।’ নির্ধারিত সময় ডাক্তার না আসার কারণে সাড়ে ১১ টায় দীর্ঘ অপেক্ষার কথা বলেন যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া এলাকার রাজেয়া বেগম। তিনি বলেন, ‘গরমের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি। ডাক্তারের খবর নেই।’

হাসপাতালের এমন চিত্র নিয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তত্তাবধায়ক একেএম কামরুল ইসলাম বেনু বলেছেন, ‘বর্তমানে হাসপাতালে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাই দেরি করে আসার সুযোগ নেই। নির্ধারিত দিনের বাইরে হাসপাতালে আমরা কোন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে ঢুকতে দিই না। তবে অনেকে লুকিয়ে লুকিয়ে হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান করে।’ রোগী দেখার ফাঁকে ডাক্তারদের বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তত্ত্বাবধায়ক একেএম কামরুল ইসলাম বেনু বলেন, ‘যদি রোগী কম থাকে তাহলে অনেক সময় চিকিৎসকরা একটা বিশ্রামের জন্য বাইরে আসতে পারে। অনেক সময় আমার সাথে কথা বলতে আসতেও পারেন। এটা কোন সমস্যা না। আর কেউ হাসপাতালের বাইরে গেলে আমার কাছ থেকে ছুটি নিয়ে যান। সব মিলিয়ে হাসপাতালে এখন ভাল চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন রোগীরা।’

SHARE