যশোর বোর্ডের সেকশন অফিসার আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে মারমুখী আচরণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর শিক্ষ বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক শাখার সেকশন অফিসার শরীফ আব্দুল্লাহ-হেল মুকিতের বিরুদ্ধে গালাগাল ও মারমুখী আচরণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার ঝিনাইদহের মহেশপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের কম্পিউটার অপারেটর আনোয়ার হোসেনের উপর তিনি চড়া হন। পরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধবচন্দ্র রুদ্রের হস্তক্ষেপে ঘটনার ইতি ঘটে। শরীফ আব্দুল্লাহ-হেল মুকিতের হাতে প্রায়ই বিভিন্ন কলেজ থেকে আসা শিক্ষক কর্মচারীরা এমন নাজেহাল হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গতকালের ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, বুধবার তিনি ২০১৭ সালের তার পরীক্ষা কেন্দ্রের মার্কশিট নিতে বোর্ডে আসেন। যার কেন্দ্র নম্বর ৩৩৭। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সুপারিশক্রমে আবেদনটি তিনি সেকশনে জমা দেন। আবেদন দেখে সেকশন অফিসার শরীফ আব্দুল্লাহ-হেল মুকিত বলেন, আপনি শুধুমাত্র আপনার কলেজের শিক্ষার্থীদের মার্কশিট পাবেন। তখন তিনি তাকে বলেন, তার শিক্ষার্থীরা মহেশপুর মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরীক্ষা দিয়েছে। যার কেন্দ্র নম্বর ৪১৬। ওই কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ তার কলেজসহ কেন্দ্রের সকল কলেজের মার্কশিট নিয়ে গেছেন। তাহলে কেন তার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কলেজগুলো মার্কশিট তিনি পাবেন না। সেকশন অফিসার তথ্যটি মিথ্যা বললে ৪১৬ কেন্দ্র কোডের কলেজ মহশেপুর পৌর মহিলা কলেজের অফিস সহকারী আতিকুর রহমানকে এনে প্রমাণ সমেত দেখালে সেকশন অফিসার ক্ষেপে গিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও মারতে আসেন। পরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ঘটনাস্থলে এসে তাকে রক্ষা করেন।
আনোয়ার হোসেন আরো জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে এ বিষয়ে তিনি মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। সেকশন অফিসারের কাছে অফিসিয়াল কাজ নিয়ে গেলে তিনি প্রায় সবার সাথে খারাপ আচরণ করেন। কখনো কখনো গালাগালও করতে শুনেছেন।
এব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মধাব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ‘আমি গ্রাউন্ডে হাঁটাহাঁটি করছিলাম। ঘটনা টের পেয়ে আমি সেখানে যাই। পরে দুজন দুজনের ভুল স্বীকারও করেন। সেখানেই ঘটনা মীমাংসা হয়ে যায়। তবে ভুক্তভোগী মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। যদি তিনি লিখিতভাবে অভিযোগ করেন, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

SHARE