বড় হার থেকে শিক্ষা বাংলাদেশের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ শক্তি, ঐতিহ্যে অনেক এগিয়ে থাকা উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বিশাল হারের ম্যাচে বাংলাদেশের মেয়েদের শরীরী ভাষায় ছিল না প্রত্যয়। স্কোরলাইন নিয়ে নয়, সংবাদ সম্মেলনে বেশি প্রশ্ন ওঠে তাই কৃষ্ণা-সানজিদাদের খেলার ধরন নিয়ে। বড় এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে দল পরের ম্যাচে কাজে লাগাবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।
থাইল্যান্ডের চোনবুরি স্টেডিয়ামে সোমবার এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারে বাংলাদেশ।

ম্যাচের দিন সকালে কড়া রোদে কঠোর অনুশীলন করে মেয়েরা। দলের সঙ্গে থাকা কর্মকর্তারাও নাকি সকালের ভারি অনুশীলনের বিপক্ষে ছিলেন। সংবাদও সম্মেলনে প্রশ্ন ওঠে, ওই অনুশীলনের ক্লান্তির প্রভাব কি মেয়েদের খেলায় পড়েছিল। কোচের উত্তর, এরকম করেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
“সকালে খুব বেশি অনুশীলন করা হয়নি। ফ্রি কিক, কর্নার কিক অর্থাৎ সেট-পিসের অনুশীলন ছিল। সবাই ম্যাচের দিন এভাবে অনুশীলন করে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলও তাই করে। আমার মনে হয় না, সকালের অনুশীলনের প্রভাব পড়েছে।”

“আমরা বিশ্বের সেরা দলের বিপক্ষে খেলেছি। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আশা করি, মেয়েরা পরের ম্যাচে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবে। আসলে আজ মেয়েরা চাপ নিতে পারেনি।”

ম্যাচের শুরু থেকেই দ্বিমুখী নির্দেশনা গেছে বাংলাদেশের ডাগআউট থেকে। কোচ রব্বানীর পেছনে বসে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের স্ট্র্যাটেজিক ডিরেক্টর পল স্মলিও চিৎকার করে সমানে নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।

দুই জনের নির্দেশনা মেয়েদের বিভ্রান্ত করেছে কিনা, চাপে ফেলেছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে রব্বানী বলেন, “আমি মনে করি না, এটা তাদের চাপে ফেলেছে। কেননা, অনুশীলনে বা এর আগেও আমরা এভাবেই তাদের নির্দেশনা দিয়েছি।”

দারুণ জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা উত্তর কোরিয়া কোচ অবশ্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন।

“আমার কাছে তাদের যে দিকটা ভালো লেগেছে, সেটা হচ্ছে, তাদের ভালো খেলার চেষ্টা। কেননা, আমি যতদূর জানি, মেয়েদের ফুটবলে তাদের শুরুটা খুব বেশি বছর হয়নি।”

 

SHARE