রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের অস্ত্রবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা রাখাইনে অস্ত্রবিরতির যে প্রস্তাব দিয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার সরকার।
যাদের হামলার প্রতিক্রিয়ায় রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেনাবাহিনীর দমন অভিযান চলছে, সেই আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) রোববার থেকে এক মাস অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছে।
রাখাইনে সৃষ্ট মানবিক সংকট থেকে উত্তরণে ত্রাণ সহায়তাকারী সংস্থাগুলোকে কাজ করার সুযোগ দিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতি অস্ত্র রাখার আহ্বান জানিয়েছে ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
এআরএসএ’র এই আহ্বানের জবাবে মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জ তাই বলেছেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করবেন না তারা।
গত ২৪ অগাস্ট রাতে একযোগে রাখাইনের ৩০টি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলা করে এআরএসএ’র সদস্যরা। এরপর রাজ্যের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করলে বাংলাদেশ অভিমুখে নতুন করে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। এরইমধ্যে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ।
পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে। স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইনরা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গাদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।
এই অভিযোগ নাকচ করে মিয়ানমার সরকার বলছে, তাদের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা ‘সন্ত্রাসীদের’ নির্মূলে অভিযান চালাচ্ছে।
“সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সমঝোতা করার কোনো ভাবনা আমাদের নেই,” এক টুইটে বলেছেন সরকারের ওই মুখপাত্র।

SHARE