দ্রুত অপারেশন করানো সম্ভব না হলে পঙ্গু হয়ে যাবে দিনমজুরের পুত্র সঞ্জয়

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি ॥ চিকিৎসা খরচ যোগাড় করতে না পারায় পঙ্গুত্ব বরন করতে বসেছে কোটচাঁদপুরের সঞ্চয় দাস। দ্রুত তাকে অপারেশন করানো না হলে পঙ্গুত্ব থেকে রক্ষা সম্ভব হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এই অপারেশনে খরচ লাগবে ৭/৮ লাখ টাকা। এত টাকা যোগাড় করা পরিবারটির পক্ষে কোনভাবে সম্ভব না। এ পরিস্থিতিতে সরকার প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সে ফিরে পেতে পারে স্বাভাবিক জীবন। দিনমজুর পিতা পুত্রের জীবন রক্ষায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।
জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার ঘাঘা দাস পাড়ার বাসিন্দা সঞ্চয় দাস। পিতা দিনমজুর ধীরেন দাস। মা, বাবা, তিন বোন নিয়ে সঞ্চয়ের পরিবার। পরিবারে মোট সদস্য সংখ্যা ৬ জন। এরমধ্যে বড় বোন শারিরীক প্রতিবন্ধী। সব থেকে ছোট সঞ্চয়। এ পরিবারে একমাত্র উপার্জাক্ষম তাঁর পিতা ধীরেন দাস। তাঁর উপার্জন ও পিতার রেখে যাওয়া কিছু জমির আবাদ দিয়ে চলছিল তার সংসার। পিতার আশা ছিল ছেলে বড় হলে তাঁর অভাব ঘুচবে। সে আশা তাঁর পূরন হল না। সঞ্চয় জন্ম থেকে ছিল রিমোটিভ ফেবারের রোগী। এ দেশের অনেক জায়গায় তাঁর চিকিৎসা করিয়েছেন তাঁর পিতা। তাতে কোন লাভ হয়নি। সঞ্চয় যত বড় হতে থাকে রোগ ততোই বাড়তে থাকে। এ দেশের চিকিৎসায় কোন ফল না পেয়ে সঞ্চয়কে তার পিতা জমি-জমা বিক্রি করে নিয়ে যান ভারতে। বেশ কিছুদিন চিকিৎসা চলছিল ভারতের ভেললের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজে। আশা ছিল ভাল হয়ে উঠবে সঞ্চয়। কিন্তু না তাতেও কোন লাভ হচ্ছে না। দিন যত পার হচ্ছে সঞ্চয় ততো পঙ্গুত্বের দিকে এগোচ্ছে। এ বার ডাক্তার তাদের জানিয়েছেন তাঁর দ্রুত অপারেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে সে চিরদিনের মত পঙ্গু হয়ে যাবে। আর এ অপারেশনে ব্যয় হবে ৭/৮ লাখ টাকা। যা জোগাড় করা তাঁর পরিবারের পক্ষে কোন রকম সম্ভব না। এ দিকে ওই খবরে হতাশ হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এখন তাদের সম্বল ভিটে বাড়ি। যা বিক্রি করেও চিকিৎসা সম্ভব না। এ অবস্থায় পরিবারটি সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন। সহযোগিতা পাঠানো যাবে কোটচাঁদপুর জনতা ব্যাংকের ৮৫৬২/১ হিসাব নম্বরে। এ ছাড়া বিকাশ নম্বর-০১৯২৮৫৫১০১৩।

SHARE