শালিখায় তালিকাভুক্ত হতে না পেরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মামলা

শালিখা প্রতিনিধি॥ শালিখার গোবরা গ্রামের মৃত মুনছুর আলীর ছেলে আব্দুল খালেক মোল্যা নামের ভুয়া এক মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হতে না পেরে এবং সামাজিক দ্বন্দ্বের কারনে একই গ্রামের মৃত রহিম মোল্যার ছেলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দূল খালেকের নামে মাগুরার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে মর্মে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন। মামলা নং শালিখা সিআর ১১৬/১৭।
গোবরা গ্রামের মৃত মুনছুর আলীর ছেলে আব্দুল খালেক মোল্যা কোর্টে মামলার অভিযোগে জানিয়েছেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দূল খালেক তার সকল কাগজপত্রে পিতার নামের স্থলে মৃত মুনছুর আলী ব্যবহার করে জাল জালিয়াতি করে কাগজপত্র তৈরী করেছেন। ঐ অভিযোগটি সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভুয়া। প্রকৃত পক্ষে আব্দুল খালেক মোল্যা নামের ঐ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হতে না পেরে নাখোশ হয়ে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
এ ব্যাপারে শালিখা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুবক্কর মাষ্টার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন গোবরা গ্রামের মৃত রহিম মোল্যার ছেলে আব্দুল খালেক একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। তার সকল কাগজপত্র ঘেটে যতদুর জানা যায় দেশ স্বাধীনের পর ৭১ সালের ৩১ জানুয়ারী ঢাকা স্টেডিয়ামে সে অস্ত্র জমা দেয়।মুজিব বাহিনী প্রধান তোফায়েল আহম্মেদ ও তৎকালীনস্বরাষ্ট্র সচিব তসলিম আহম্মেদ স্বাক্ষরিত সনদওতার আছে। পরে ২/২/১৯৭২ সালে রক্ষীবাহিনীতে যোগদান করে ১৫ বছর চাকরী করেন।১৯৯৬ সালে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইকালে সে উত্তীর্ন হয়। তার মুক্তিবার্তা নং০৪০৮০৪০০৯৫।এরপর সে ভাতা পেয়ে আসছে।২০১৪ সালে পুনরায় যাচাই বাছাই হলে আবেদন করলে উত্তীর্ন হয় এবং সে ভাতা পান। উপজেলা ডেপুটি কমান্ডারও যুদ্ধকালীন কমান্ডার শামছুর রহমান বলেন আব্দুল খালেক ওরফে শুকুর আলী পিং আব্দুর রহিম মোল্যা একজন বীর ও সঠিক মুক্তিযোদ্ধা।১৯৭১সালে ভারত থেকে প্রশিক্ষন শেষে দেশে ঢুকে শালিখা-বুনাগাতী অঞ্চলে এম.এ কাইয়ূম খান ও শামছুর রহমানের সঙ্গে গোলাম ইয়াকুব বীর প্রতীকের নেতৃত্বে যুদ্ধে স্বক্রিয় অংশগ্রহন করেন।একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার নামে কোর্টে মিথ্যা অভিযোগ করায় তারা ঐ ষড়যন্ত্রকারীকে ধিক্কার জানান।

 

 

SHARE