হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে লোহাগড়ায় ঔষধ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ফারিয়া

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি॥ ঔষধ দোকানদারদের নানা অনিয়ম, হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে গতকাল শনিবার থেকে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় কর্মরত সকল কোম্পান্নির প্রতিনিধিরা সকল দোকানে ঔষধ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
ঔষধ কোম্পান্নির প্রতিনিধিদের সংগঠন ফারিয়া সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে একমি ঔষধ কোম্পানির লোহাগড়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি (রিপ্রেজেনটেটিভ) মোঃ ওজিয়ার রহমান হাসপাতাল সংলগ্ন আলিফ সার্জিক্যালে ২৭ হাজার ৫শত ৫০ টাকার ঔষধ সরবরাহ করেন। কিন্তু বিলের টাকা চাইলে দোকানের মালিক সোহেল ও তহিদ অকথ্যভাষায় মোঃ ওজিয়ার রহমান কে গালিগালাজসহ অপমান করে তাড়িয়ে দেয় এবং হুমকি দেয়। অপরদিকে, একমি ঔষধ কোম্পানির বাদল নামে আরেকজন রিপ্রেজেনটেটিভ লোহাগড়া উপজেলা ড্রাগ এন্ড কেমিষ্ট সমিতির সভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়ার নিকট ৩মাস পূর্বে সরবরাহকৃত ঔষধের বিলের টাকা চাইতে গেলে টাকা না দিয়ে তাকে উল্টো গালিগালাজ করা হয়। পরবর্তীতে আবার উপজেলা ড্রাগ এন্ড কেমিষ্ট সমিতি তাদের সকল দোকানদারদের একমি কোম্পানির ঔষধ ক্রয়- বিক্রয় নিষিদ্ধ বা বন্ধ করে দেয়। ড্রাগ এন্ড কেমিষ্ট সমিতির সদস্যদের নানা নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি থেকে রক্ষা পেতে এবং উপযুক্ত বিচারের দাবিতে শনিবার থেকে ঔষধ কোম্পান্নির প্রতিনিধিদের সংগঠন ফারিয়া সম্মিলিতভাবে সকল দোকানে সকলপ্রকার ঔষধ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঔষুধের দোকানদার একমি কোম্পান্নির ঔষধ ক্রয়- বিক্রয় বন্ধ রাখার কথা স্বীকার করেছেন। এব্যাপারে উপজেলা ড্রাগ এন্ড কেমিষ্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ কামাল বলেন, সমস্যা হয়েছে, সমাধান হবে।
এদিকে ফারিয়ার সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম শনিবার দুপুরে ফারিয়ার অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, উপযুক্ত বিচারের দাবিতে আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌর মেয়র, ওসি সহ বিভিন্ন মহলে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছি। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত কোন দোকানে ঔষধ সরবরাহ করা হবে না।

SHARE