সমাজের কথা ডেস্ক॥ চুয়াডাঙ্গা সদরে যৌতুকের দাবিতে এক কিশোরী গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার উপজেলার দৌলাতদিয়াড় গ্রাম থেকে খুশি খাতুনের (১৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয় বলে সদর থানার ওসি তোজাম্মেল হক জানান।
খুশি ওই এলাকার কাঠমিস্ত্রি রকিবুল ইসলামের (১৭) স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে রকিবুল পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।
আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুল ইসলাম মুকুল বলেন, এক বছর আগে দৌলাতদিয়াড় গ্রামের বঙ্গজপাড়ার মোকাম আলীর মেয়ে খুশির সঙ্গে একই এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে রকিবুল প্রেম করে বিয়ে করেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা সুলতানা ময়না বলেন, রকিবুল ঠিকমতো কাজে যেত না বলে খুশির সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এছাড়া রকিবুল ও তার বাড়ির লোকজন খুশির পরিবারের কাছে যৌতুক দাবি করে আসছিল।
ওসি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় খুশি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়। সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
“নিহতের ডান চোখের নিচে ঘুষির এবং গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে।”
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে খুশির মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা যাবে, বলেন ওসি।
খুশির মা আকলিমা খাতুন বলেন, “বিয়ের পর থেকেই রকিবুল ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। ওরা আমার মেয়েকে হত্যা করে এখন আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছে।”

SHARE